নিউজ পোর্টাল

বে টার্মিনালে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর রগ কাটা লাশ :জানা যায়নি মৃত্যুর রহস্য

sathi
sathi
প্রকাশ : ২১ অক্টোবর ২০২৫
ফটো কার্ড
বে টার্মিনালে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর রগ কাটা লাশ :জানা যায়নি মৃত্যুর রহস্য
0:00 খবর শুনুন 0:00
বে টার্মিনালে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর রগ কাটা লাশ :জানা যায়নি মৃত্যুর রহস্য
নিজস্ব প্রতিবেদক 

চট্টগ্রাম নগরীর বন্দর থানাধীন বে-টার্মিনাল এলাকা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী শামীম মাকসুদ খান জয়ের (২৬)  হাত ও দুই পায়ের রগ কাটা লাশ উদ্ধারের রহস্য এখনো উদঘাটন হয়নি। কী কারণে, কারা খুন করেছে, তা বলতে পারছে না নিহত শিক্ষার্থীর পরিবার ও পুলিশ। এছাড়া এই বিশ্ববিদ্যালয়  শিক্ষার্থী ডিপ্রেশন থেকে আত্মহত্যা করেছে বলেও জানিয়েছেন কয়েকটি সূত্র।

জানা যায়, শামীম আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (AIUB)-এর কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। এরপর তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে মাস্টার্সে ভর্তি হয়েছিলেন। তিনি নগরীর বপড়োল এলাকায় পরিবারের সঙ্গে বাস করতেন। তিন ভাইবোনের মধ্যে বড় ছিলেন শামীম।আনন্দবাজার আউটার রিং রোড সংলগ্ন সানসেট পয়েন্ট কাশবনের ভেতর থেকে রোববার তার লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে রাত ২টার তার শামীমের পরিবার হাসপাতালে গিয়ে তার লাশ শনাক্ত করে।

নিহতের পিতা শহীদুল ইসলাম খান জানান, দুপুরে তার মুঠোফোনে একটি কল এসেছিল। এরপর চাকরির ইন্টারভিউ দেওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়েছিল। তবে মুঠোফোন বাসায় রেখে গিয়েছিল।

নিহতের ফুফাতো ভাই মারুফ জানান,  পুলিশ যেন খুঁজে বের করে কারা এর সঙ্গে জড়িত। আমরা সুষ্ঠু তদন্ত চাই।

এদিকে একটি সূত্র জানিয়েছে,  শামীম মাকসুদ খান মাদকাসক্ত ছিলেন। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে তিনি ডিপ্রেশনে ভুগছিলেন। এই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র  ছুরি দিয়ে নিজেকে আঘাত করে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছেন সূত্র।

বন্দর থানার একটি এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, যতটুকু বুঝেছি এটা আত্মহত্যা। নিহত ছেলেটার মৃত্যুর সময় পাশে থাকা দুইজন যুবক আমাদেরকে এমনটাই বলেছে।তবে তদন্তের আগে এখন ঠিক বিষয়টি বলা যাচ্ছে না।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (বন্দর) মাহমুদুল হাসান বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের পিতা বাদী হয়ে মামলাটি করেন। এই মামলায় আসামি করা হয়েছে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের। এখন তদন্ত চলছে, আশা করি আগামী দুই-একদিনের মধ্যে জানা যাবে।

এরআগে রবিবার (১৯ অক্টোবর) আনন্দবাজার আউটার রিংরোড সংলগ্ন বে টার্মিনালের সাগরতীরে কাশবনের ভেতরে হাত পায়ের রগ কাটা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিলেন শামীম। রাতে স্থানীয় কয়েকজন দেখতে পেয়ে টহলরত পুলিশ সদস্যদের খবর দেন। প্রথমে হালিশহর থানা পুলিশ শামীমকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা নিরীক্ষার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে খবর পেয়ে দিবাগত রাত দুইটার দিকে পরিবারের লোকজন শামীমের লাশ শনাক্ত করেন। এরপর সোমবার দুপুরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

পঠিত : ১ বার

মন্তব্য (০)

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না।
সর্বোচ্চ ১০০০ অক্ষর।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।