নিউজ পোর্টাল

পর্দা নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করা চবির সেই ছাত্রদল নেতা আপত্তিকর অবস্থায় আটক

Riayad
Riayad
প্রকাশ : ২৪ মে ২০২৬
ফটো কার্ড
পর্দা নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করা চবির সেই ছাত্রদল নেতা আপত্তিকর অবস্থায় আটক
0:00 খবর শুনুন 0:00
পর্দা নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করা চবির সেই ছাত্রদল নেতা আপত্তিকর অবস্থায় আটক
ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাকিফ রহমান এক তরুণীসহ নগরের একটি বাসা থেকে স্থানীয়দের হাতে আটক হওয়ার ঘটনায় ক্যাম্পাসজুড়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

 

শনিবার (২৩ মে) রাত ১২টার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকার জে এম টাওয়ার সংলগ্ন একটি বাসা থেকে তাদের আটক করা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে ক্যাম্পাসে নিয়ে আসেন।

 

ঘটনার আগে গত বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) উদ্যোগে পর্দাশীল নারী শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন ক্যান্টিনে ‘ছাত্রী কর্নার’ চালু করা হয়। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট করে সমালোচনার মুখে পড়েন সাকিফ রহমান। এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। সর্বশেষ চাকসু নির্বাচনে তিনি ছাত্রদলের প্যানেল থেকে আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক পদে নির্বাচন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি ফেসবুক পেজে আব্দুল্লাহ আল মামুন ও এক ছাত্রীর নাম জড়িয়ে পোস্ট করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে আব্দুল্লাহ আল মামুন ফেসবুক লাইভে এসে দাবি করেন, তিনি ঘটনার সময় ক্যাম্পাসে ছিলেন না। তিনি জানান, গত শুক্রবার তিনি নিজ বাড়ি সিরাজগঞ্জ গিয়েছেন।

 

ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে সাকিফ রহমান বলেন, তার বান্ধবী ভোর ৬টার বাসের টিকিট কেটেছিলেন। এ কারণে কয়েকজন বন্ধু মিলে রাতে ক্যাম্পাসে ঘোরাঘুরির পরিকল্পনা করেন। রাতের দিকে ১ নম্বর গেট এলাকায় খাওয়াদাওয়া শেষে ফেরার সময় স্টেশন তলা এলাকায় ঝামেলার খবর পেয়ে তারা ২ নম্বর গেট দিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

 

তিনি আরও বলেন, “রাত প্রায় ১২টার দিকে আমি ব্যাগ নেওয়ার জন্য রুমে যাই। তখন আমার বান্ধবীকে নিচে একা রেখে যাওয়া নিরাপদ মনে হয়নি। তাই তাকে রুমে নিয়ে আসি, যাতে দ্রুত গোসল করে ব্যাগ নিয়ে বের হতে পারি। কিন্তু কিছু মানুষ দরজা ভেঙে রুমে ঢুকে পড়ে এবং ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করে। আমরা কোনো আপত্তিকর অবস্থায় ছিলাম না।”

 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. মো. কামরুল হোসেন বলেন, “খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের ক্যাম্পাস এলাকায় নিয়ে আসি। পরে তাদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। ঈদের ছুটির পর বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

আরএইচ

পঠিত : ১ বার

মন্তব্য (০)

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না।
সর্বোচ্চ ১০০০ অক্ষর।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।