নিউজ পোর্টাল

চট্টগ্রাম বন্দরে ‘পোর্ট সিঙ্গেল উইন্ডো (সিপিএ স্কাই)’ চালু

RAFIQ HYDER
RAFIQ HYDER
প্রকাশ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ফটো কার্ড
চট্টগ্রাম বন্দরে ‘পোর্ট সিঙ্গেল উইন্ডো (সিপিএ স্কাই)’ চালু
0:00 খবর শুনুন 0:00
চট্টগ্রাম বন্দরে ‘পোর্ট সিঙ্গেল উইন্ডো (সিপিএ স্কাই)’ চালু
ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এনবিআর, কাস্টমস ও পোর্ট–সংক্রান্ত সব সেবা এক প্ল্যাটফর্মে আনতে ‘পোর্ট সিঙ্গেল উইন্ডো (সিপিএ স্কাই)’ চালু করেছে। এর মাধ্যমে বন্দরের বিভিন্ন সেবা এখন থেকে ডিজিটালভাবে গ্রহণ করা যাবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বন্দর ভবনের বোর্ড রুমে এ সেবার উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, বন্দরের অটোমেশন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ চলছে এবং এ কাজে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) সহযোগিতা করেছে। তিনি সংশ্লিষ্ট টিমকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, জটিল এ কাজ নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি বলেন, বিশ্বের বেশিরভাগ বন্দর ইতিমধ্যে ডিজিটাল ও অটোমেটেড হয়ে গেছে। লজিস্টিকস খাতে ডিজিটাল করিডোরে লেনদেন বাড়লেও এত দিন চট্টগ্রাম বন্দরে পূর্ণাঙ্গ পোর্ট সিঙ্গেল উইন্ডো ছিল না। জাতীয় পর্যায়ে এনবিআর একটি ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো এবং ডিজি শিপিং একটি মেরিটাইম সিঙ্গেল উইন্ডো নিয়ে কাজ করছে। চট্টগ্রাম বন্দর যে প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে, সেটি পোর্ট কমিউনিটি সিস্টেম—যেখানে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা যুক্ত থাকবে।

বন্দর চেয়ারম্যান জানান, আগে যেসব কাজ কাস্টমস, ব্যাংক বা ফ্রেইট ফরওয়ার্ডারের কাছে গিয়ে সরাসরি করতে হতো, এখন সেগুলো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে করা যাবে। এতে আগে যে প্রক্রিয়ায় পাঁচ দিন লাগত, তা আধঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। কার্গো ডেলিভারি ও জাহাজের টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম কমবে, ব্যয় সাশ্রয় হবে এবং বন্দর কার্যক্রম আরও পরিবেশবান্ধব হবে।

তিনি আরও বলেন, নতুন ব্যবস্থায় কাস্টমসের ইজিএম ও আইজিএম কার্যক্রম এবং প্রি-অ্যারাইভাল প্রসিডিউরও অনলাইনে সম্পন্ন করা যাবে। আমদানি পণ্য বন্দরে পৌঁছানোর আগেই ডেলিভারি–সংক্রান্ত প্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব হবে। প্ল্যাটফর্মটি ২৪ ঘণ্টা ব্যবহার করা যাবে এবং ধীরে ধীরে বন্দর কার্যক্রম পুরোপুরি পেপারলেস করা হবে।

অ্যাকাউন্টেবিলিটি নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করে বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, নতুন সিস্টেমে জবাবদিহি বাড়বে, মিসম্যানেজমেন্ট ও অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব কমবে। এতে বন্দরের সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সেবাটি ব্যবহারে সহায়তার জন্য হেল্প ডেস্ক ও এজেন্ট ডেস্ক স্থাপন করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ব্যবহারকারীদের জন্য ন্যূনতম চার্জ নির্ধারণ করা হবে। তাঁর ভাষ্য, নতুন এ প্ল্যাটফর্ম বাস্তবমুখী, যুগান্তকারী এবং ব্যবহার–উপযোগী উদ্যোগ।

রহা

পঠিত : ১ বার

মন্তব্য (০)

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না।
সর্বোচ্চ ১০০০ অক্ষর।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।