নিউজ পোর্টাল

অপতথ্য প্রতিরোধে কমিউনিটি ভিত্তিক সচেতনতা গড়ে তুলছে তরুণরা

RAFIQ HYDER
RAFIQ HYDER
প্রকাশ : ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
ফটো কার্ড
অপতথ্য প্রতিরোধে কমিউনিটি ভিত্তিক সচেতনতা গড়ে তুলছে তরুণরা
0:00 খবর শুনুন 0:00
অপতথ্য প্রতিরোধে কমিউনিটি ভিত্তিক সচেতনতা গড়ে তুলছে তরুণরা
নিজস্ব প্রতিবেদক: 

অপতথ্য ও গুজব প্রতিরোধে কমিউনিটি পর্যায়ে সচেতনতা তৈরিতে তরুণদের সম্পৃক্ত করে দুইটি কমিউনিটি অ্যাকশন প্রজেক্ট (ক্যাপ) অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের অর্থায়নে,  সেন্টার ফর কোয়ালিটি স্টাডিজ, ইউনিভার্সিটি অব লিবারাল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)-এর সহযোগিতায় পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম বিভাগের আয়োজনে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ইপসার মুরাদপুর ইউনিয়ন শাখায় আয়োজিত এ ক্যাপে অংশগ্রহণ করেন রেডিও সাগরগিরি ভলান্টিয়ার টিম ও ইপসার কিশোরী ক্লাবের সদস্যরা।

ক্যাপের মেন্টর ও প্রজেক্ট ফ্যাসিলিটেটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম বিভাগের সভাপতি দিলরুবা আক্তার। প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন দুটি টিমের লিডার ফারিয়া আফরোজ ও আকিয়া জাহানসহ টিমের সদস্যবৃন্দ। দুইটি টিমে ১৫ জন করে মোট ৩০ জন প্রশিক্ষণার্থী এ কার্যক্রমে অংশ নেন, যারা প্রশিক্ষণ গ্রহণের পাশাপাশি বিভিন্ন সহযোগী কার্যক্রমেও যুক্ত ছিলেন।

প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী ভলান্টিয়ার ও কিশোরী সদস্যদের বিশেষভাবে  ডিজিটাল সিটিজেনশীপ, ডিজিটাল মিডিয়া লিটারেসি, স্বাস্থ্য বিষয়ক অপতথ্য প্রতিরোধ এবং ফ্যাক্ট-চেকিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ‘কোস্টাল ট্রুথ কানেক্ট’ ও ‘হার হেলথ, হার ট্রুথ’ টাইটেলের আওতায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ভুল তথ্য, গুজব ও অপতথ্য শনাক্ত ও যাচাইয়ের কৌশল তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি এসব বিষয়ে কমিউনিটি পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এ বিষয়ে টিম লিডার ফারিয়া আফরোজ বলেন, হার হেলথ, হার ট্রুথ’ কার্যক্রমের মাধ্যমে কিশোরীদের সচেতনতা বৃদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, নারী ও কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও সামাজিক বিষয়ক ভুল তথ্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এই ক্যাপের মাধ্যমে কিশোরীরা জানতে পেরেছে কোন তথ্য বিশ্বাসযোগ্য এবং কোনটি নয়। এতে তারা যেমন নিজেরা সচেতন হবে, তেমনি অন্যদেরও সচেতন করতে পারবে।

অপরদিকে টিম আকিয়া জাহান বলেন, বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্য খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, কিন্তু সেগুলোর সত্যতা যাচাই না করেই অনেকেই বিশ্বাস করে ফেলেন। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা ফ্যাক্ট-চেকিংয়ের মৌলিক কৌশল শিখেছে, যা তারা নিজেদের কমিউনিটিতে প্রয়োগ করতে পারবে। তরুণরাই পারে অপতথ্যের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ গড়ে তুলতে।

সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে দুইটি সেশনে বিভক্ত এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বিকাল ৫ টায় শেষ হয়।

এ প্রসঙ্গে বিভাগের সভাপতি দিলরুবা আক্তার বলেন, এ ধরনের প্রশিক্ষণ তরুণদের মধ্যে সচেতন ও দায়িত্বশীল ডিজিটাল মিডিয়া ব্যবহার নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে বর্তমান সময়ে গুজব ও অপতথ্যের বিস্তারের প্রেক্ষাপটে ফ্যাক্ট-চেকিং সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা অত্যন্ত জরুরি।
আর এইচ/

পঠিত : ১ বার

মন্তব্য (০)

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না।
সর্বোচ্চ ১০০০ অক্ষর।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।